■ পর্যটন বিচিত্রা প্রতিবেদন
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কাছে। এটি মূলত একটি বড় বিল বা জলাশয়, বর্ষাকালে ভরে ওঠে এবং আশেপাশের পরিবেশ খুবই মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে। বর্ষাকালে এবং শীতকালে সবচেয়ে সুন্দর লাগে। শীতে অনেক পরিযায়ী পাখি আসে। ভাড়াউড়া হ্রদে পদ্ম ফুলের সমারোহ দেখা যায়। চা বাগানের বুকে এই হ্রদটির আকর্ষণ কম নয়। এখানে আছে বানর আর হনুমানের বিচরণ। শীতে অতিথি পাখির আগমন চোখে পড়ে।
ভাড়াউড়া লেকের চারপাশজুড়ে রয়েছে সবুজের সমারোহ, সারি সারি চা গাছ এবং পাহাড়ি টিলা। লেকের শান্ত পানিতে ফুটে থাকা লাল শাপলা ফুল সবুজের মাঝে রঙের অপূর্ব মিশ্রণ তৈরি করে, যা যেকোনো দর্শনার্থীর মন ছুঁয়ে যায়। শীতকালে অতিথি পাখিদের কলকাকলিতে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। পাহাড়ি পথে হাঁটতে হাঁটতে বানর ও হনুমানের বিচরণও চোখে পড়ে, যা ভ্রমণকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।
শ্রীমঙ্গলের নিভৃত প্রকৃতির এক শান্ত ও স্নিগ্ধ জনপদ হলো ভাড়াউড়া লেক। চা বাগানের সবুজ গালিচার মাঝে লুকিয়ে থাকা এই লেকটি পর্যটকদের কাছে এক লুকানো রত্ন (Hidden Gem)। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে মাত্র ২-৩ কিলোমিটার দূরে ভাড়াউড়া চা বাগানের ঠিক মাঝখানে এই লেকটির অবস্থান। উঁচু-নিচু চা বাগানের টিলাগুলোর পাদদেশে শান্ত জলের এই আধারটি এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে। লেকের চারপাশে চা গাছের সারিবদ্ধ বিন্যাস এবং ওপরে বিশাল আকাশ একে একটি নিখুঁত ল্যান্ডস্কেপ ফ্রেমে রূপান্তর করে।












