পর্যটন বিচিত্রা ডেস্ক
ভ্রমণ পরিকল্পনা থেকে শুরু করে গন্তব্য নির্বাচন, তথ্য খোঁজা ও দৈনন্দিন নানা সিদ্ধান্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটজিপিটি হয়ে উঠছে পর্যটকদের অন্যতম সহায়ক। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে বদলে যাচ্ছে মানুষের ভ্রমণের ধরনও। আগে একটি ভ্রমণ পরিকল্পনা তৈরি করতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ব্লগ, ভিডিও ও গাইডবুক ঘাঁটতে হতো। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে অল্প সময়ের মধ্যেই ভ্রমণসংক্রান্ত নানা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে চ্যাটজিপিটি।
এক ব্লগ পোস্টে ওপেনএআই জানায়, অপারেটররা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করে দেয়। এটি বাটন, মেনু এবং টেক্সট ফিল্ডের মাধ্যমে দৈনন্দিন কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যবহারকারী চাইলে অপারেটরকে নির্দেশ দিতে পারেন নিউইয়র্ক থেকে মাউই যাওয়ার একটি সুবিধাজনক ফ্লাইট খুঁজে দিতে, যেখানে অনেক রাতে প্লেন অবতরণ করবে না। অপারেটর সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে ফলাফল প্রদান করবে। তবে লেনদেনের চূড়ান্ত ধাপটি ব্যবহারকারীকেই সম্পন্ন করতে হবে।
একজন পর্যটক যদি কোনো নির্দিষ্ট শহর বা দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তাহলে চ্যাটজিপিটিকে তার ভ্রমণের সময়, বাজেট, পছন্দের স্থান ও ভ্রমণসঙ্গীদের সম্পর্কে জানিয়ে একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। এর মাধ্যমে একাধিক গন্তব্যের মধ্যে সময় ভাগ করে নেওয়া, দর্শনীয় স্থানগুলোর অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং প্রতিদিনের সম্ভাব্য কার্যক্রম সাজানো সহজ হয়।

এটি আরও ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য করার জন্য ফলোআপ প্রশ্ন করতে পারে, যেমন লগইন তথ্য সংগ্রহ। তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে স্ক্রিনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিতে পারবেন। ভ্রমণের আগে কোথায় যাওয়া যায়, কতদিন থাকা উচিত, কোন সময়ে গেলে ভালো, কীভাবে যাতায়াত করা যায় কিংবা বাজেটের মধ্যে কীভাবে পুরো সফর সাজানো যায় এসব বিষয়ে পর্যটকরা চ্যাটজিপিটির সহায়তা নিতে পারছেন। ব্যবহারকারীর চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী এটি ভ্রমণ পরিকল্পনার একটি প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করে দিতে পারে।
বর্তমানে অপারেটর শুধু যুক্তরাষ্ট্রের চ্যাটজিপিটি প্রো সাবস্ক্রাইবারদের জন্য সীমিত আকারে উন্মুক্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এটি প্লাস, টিম এবং এন্টারপ্রাইজ ব্যবহারকারীদের জন্যও উন্মুক্ত করা হবে। এছাড়াও, চ্যাটজিপিটির সঙ্গে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন করার পরিকল্পনাও রয়েছে।












