TRENDING
বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র হওয়ার পথে অপার সম্ভাবনাময় টেকনাফ October 17, 2026
নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী October 14, 2026
টাঙ্গাইলের নকশি বুটি শাড়ি কি হারিয়ে যাবে? October 14, 2026
সেন্টমার্টিনে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা ও জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী October 12, 2026
পর্যটন তুমি কার: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন ও জবাবদিহির দায়িত্ব কার? October 12, 2026
Next
Prev
  • হোম
  • দেশ ভ্রমণ
    • ঢাকা
      • ঢাকা
      • ফরিদপুর
      • গাজীপুর
      • মানিকগঞ্জ
      • নারায়নগঞ্জ
      • মাদারিপুর
      • মুন্সিগঞ্জ
      • কিশোরগঞ্জ
      • নরসিংদী
      • রাজবাড়ি
      • শরিয়তপুর
      • টাঙ্গাইল
      • গোপালগঞ্জ
    • রাজশাহী
      • রাজশাহী
      • পাবনা
      • নাটোর
      • বগুড়া
      • জয়পুরহাট
      • সিরাজগঞ্জ
      • চাঁপাইনবাবগঞ্জ
      • নওগাঁ
    • চট্টগ্রাম
      • চট্টগ্রাম
      • কক্সবাজার
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
      • ফেনী
      • কুমিল্লা
      • চাঁদপুর
      • লক্ষ্মীপুর
      • নোয়াখালী
      • রাঙ্গামাটি
      • বান্দরবান
      • খাগড়াছড়ি
    • সিলেট
      • সিলেট
      • মৌলভীবাজার
      • সুনামগঞ্জ
      • হবিগঞ্জ
    • রংপুর
      • রংপুর
      • দিনাজপুর
      • ঠাকুরগাঁও
      • কুড়িগ্রাম
      • লালমনিরহাট
      • নীলফামারি
      • পঞ্চগড়
      • গাইবান্ধা
    • খুলনা
      • খুলনা
      • যশোর
      • চুয়াডাঙ্গা
      • ঝিনাইদহ
      • কুষ্টিয়া
      • মাগুরা
      • মেহেরপুর
      • নড়াইল
      • সাতক্ষীরা
      • বাগেরহাট
    • বরিশাল
      • বরিশাল
      • ভোলা
      • বরগুনা
      • ঝালকাঠি
      • পিরোজপুর
      • পটুয়াখালি
    • ময়মনসিংহ
      • ময়মনসিংহ
      • শেরপুর
      • জামালপুর
  • বিদেশ ভ্রমণ
  • পর্যটন সেবা
    • এয়ারলাইনস
      • নেত্রকোনা
    • হোটেল ও রিসোর্ট
    • থিম পার্ক ও পিকনিক স্পট
    • টুরিস্ট ভেসেল
    • এজেন্ট ও অপারেটর
  • পর্যটন সংবাদ
  • পর্যটন ফিচার
    • দর্শনীয় স্থান
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • উৎসব ও মেলা
    • স্থানীয় খাবার
    • সৌখিন কেনাকাটা
    • হোটেল ও রিসোর্ট
  • ভ্রমণ গল্প
  • ভিডিও
  • ছবি ঘর
  • সম্পাদকীয়
  • ক্যাটাগরি
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • কর্পোরেট
    • ক্যাম্পাস
    • প্রেস রিলিজ
    • অ্যাডভেঞ্চার
    • বেড়ানোর অভিজ্ঞতা
    • শিক্ষা ও দক্ষতা
    • পর্যটন চাকুরি
    • দর্শনীয় স্থান
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • স্থানীয় খাবার
    • উৎসব ও মেলা
    • সৌখিন কেনাকাটা
    • নগর বিনোদন
    • দেশে বেড়ানো
    • বিদেশে বেড়ানো
    • কাছে বেড়ানো
    • এয়ারলাইনস
    • হোটেল ও রিসোর্ট
    • টুরিস্ট ভেসেল
    • থিম পার্ক
    • এজেন্ট ও অপারেটর
    • ট্রাভেল টিপস
    • সাক্ষাৎকার
    • মতামত
    • সম্পাদকীয়
Menu
  • হোম
  • দেশ ভ্রমণ
    • ঢাকা
      • ঢাকা
      • ফরিদপুর
      • গাজীপুর
      • মানিকগঞ্জ
      • নারায়নগঞ্জ
      • মাদারিপুর
      • মুন্সিগঞ্জ
      • কিশোরগঞ্জ
      • নরসিংদী
      • রাজবাড়ি
      • শরিয়তপুর
      • টাঙ্গাইল
      • গোপালগঞ্জ
    • রাজশাহী
      • রাজশাহী
      • পাবনা
      • নাটোর
      • বগুড়া
      • জয়পুরহাট
      • সিরাজগঞ্জ
      • চাঁপাইনবাবগঞ্জ
      • নওগাঁ
    • চট্টগ্রাম
      • চট্টগ্রাম
      • কক্সবাজার
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
      • ফেনী
      • কুমিল্লা
      • চাঁদপুর
      • লক্ষ্মীপুর
      • নোয়াখালী
      • রাঙ্গামাটি
      • বান্দরবান
      • খাগড়াছড়ি
    • সিলেট
      • সিলেট
      • মৌলভীবাজার
      • সুনামগঞ্জ
      • হবিগঞ্জ
    • রংপুর
      • রংপুর
      • দিনাজপুর
      • ঠাকুরগাঁও
      • কুড়িগ্রাম
      • লালমনিরহাট
      • নীলফামারি
      • পঞ্চগড়
      • গাইবান্ধা
    • খুলনা
      • খুলনা
      • যশোর
      • চুয়াডাঙ্গা
      • ঝিনাইদহ
      • কুষ্টিয়া
      • মাগুরা
      • মেহেরপুর
      • নড়াইল
      • সাতক্ষীরা
      • বাগেরহাট
    • বরিশাল
      • বরিশাল
      • ভোলা
      • বরগুনা
      • ঝালকাঠি
      • পিরোজপুর
      • পটুয়াখালি
    • ময়মনসিংহ
      • ময়মনসিংহ
      • শেরপুর
      • জামালপুর
  • বিদেশ ভ্রমণ
  • পর্যটন সেবা
    • এয়ারলাইনস
      • নেত্রকোনা
    • হোটেল ও রিসোর্ট
    • থিম পার্ক ও পিকনিক স্পট
    • টুরিস্ট ভেসেল
    • এজেন্ট ও অপারেটর
  • পর্যটন সংবাদ
  • পর্যটন ফিচার
    • দর্শনীয় স্থান
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • উৎসব ও মেলা
    • স্থানীয় খাবার
    • সৌখিন কেনাকাটা
    • হোটেল ও রিসোর্ট
  • ভ্রমণ গল্প
  • ভিডিও
  • ছবি ঘর
  • সম্পাদকীয়
  • ক্যাটাগরি
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • কর্পোরেট
    • ক্যাম্পাস
    • প্রেস রিলিজ
    • অ্যাডভেঞ্চার
    • বেড়ানোর অভিজ্ঞতা
    • শিক্ষা ও দক্ষতা
    • পর্যটন চাকুরি
    • দর্শনীয় স্থান
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • স্থানীয় খাবার
    • উৎসব ও মেলা
    • সৌখিন কেনাকাটা
    • নগর বিনোদন
    • দেশে বেড়ানো
    • বিদেশে বেড়ানো
    • কাছে বেড়ানো
    • এয়ারলাইনস
    • হোটেল ও রিসোর্ট
    • টুরিস্ট ভেসেল
    • থিম পার্ক
    • এজেন্ট ও অপারেটর
    • ট্রাভেল টিপস
    • সাক্ষাৎকার
    • মতামত
    • সম্পাদকীয়

টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের আদ্যোপান্ত

0
টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের আদ্যোপান্ত

টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের আদ্যোপান্ত

0
SHARES
80
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

■ পর্যটন বিচিত্রা প্রতিবেদক

বিশ্বের সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল অঞ্চল চেরাপুঞ্জির খুব কাছেই অবস্থিত রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর। টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরনা) এসে মিশেছে এই হাওরে। হাওরের চারপাশে রয়েছে ৮৮টি গ্রাম। ‘ছয় কুড়ি বিল আর নয় কুড়ি কান্দার’ সমন্বয়ে পরিচিত দৃষ্টিনন্দন বিলটির দৈর্ঘ্য ১১ ও প্রস্থ ৭ কিলোমিটার । বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে টাঙ্গুয়ার হাওরের ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকাকে ‘পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা করে। হাওরটি দেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট এবং পৃথিবীর ১০৩১ তম রামসার সাইটের মর্যাদা পায় ২০০০ সালে। কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের কারণে হাওরটি উল্লেখযোগ্য। তা হলো- জলাভূমি পরিবেশের অনন্য উদাহরণ, জলচর পাখি, সংকটাপন্ন প্রজাতির মাছ, প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল এবং মা-মাছের উত্তম প্রজননস্থল। এই হাওরে ৫২টি বিলের মধ্যে ১৬টিতে সারা বছরই পানি থাকে । এই হাওরের ১২০টি কান্দায় প্রায় ষাট হাজার মানুষ বাস করে। এক হিসাবে এখানে ১৪১ প্রজাতির মাছ, ২০০ উদ্ভিদ, প্রায় পাঁচশত পাখি, স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ ও উভচর ইত্যাদি বন্যপ্রাণী দেখা গেছে।

টাঙ্গুয়ার হাওরের দর্শনীয় স্থানসমূহ
ট্যাকের হাট
ট্যাকের হাট ভারত বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একটি বাজার। টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে যারা আসেন তারা একবার হলে বেড়িয়ে যান ট্যাকের হাটে। ট্যাকের ঘাটে নৌকা নোঙ্গর করার পর বিকেলের সময়টা সবাই এদিক সেদিক ঘুরে বেড়ায়। সন্ধ্যা বেলায় হালকা খাবার বা মুখরোচক খেতে সবাই ভিড় জমায় ট্যাকের হাটে। ট্যাকের ঘাট থেকে ৩-৪ মিনিটের হাটার দূরত্বে এই বাজারের অবস্থান। যারা বাজেট ট্যুরে আসেন তারা ট্যাকের হাটে কম দামে ভালো মানের খাবার পেয়ে যাবেন।

লাকমা ছড়া
টাঙ্গুয়ার হাওর ঘুরতে আসলে যে জায়গাটিতে যেতে একদম ভূলবেন না সেটি হচ্ছে লাকমা ছড়া । পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে সবুজের আস্তরণ । এই সবুজ আস্তরণের বুক বেয়ে নেমে এসেছে এক ঝর্ণা, যার নাম লাকমা । এই ঝর্ণাটি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে । লাকমা ঝর্ণাটি বাংলাদেশ থেকে দেখা যায়না । লাকমা ঝর্ণার পানিগুলো বাংলাদেশে বয়ে আসে । লাকমা ঝর্ণার পানি গিয়ে পড়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে। যে পথ দিয়ে পানি গিয়ে হাওরে পড়ে তাকে বলে লাকমা ছড়া। ছড়ার শীতল জল আপনাকে প্রাণবন্ত করবে। ছড়ায় বড় বড় পাথর ছড়ার সৌন্দর্যকে কয়েকগুন বৃদ্ধি করেছে। ট্যাকের ঘাটে নৌকা থেকে নেমে একটা অটো বা মোটরসাইকেল নিয়ে লাকমা ছড়ার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে যেতে পারেন।

ওয়াচ টাওয়ার
হাওরকে অন্যভাবে উপভোগ করতে অবশ্যই উঠবেন ওয়াচ টাওয়ারে । ছুটির দিন গুলোতে বেশ ভিড় থাকে টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ টাওয়ারে। বলাই নদীর পাশ ঘেঁসে হিজল বনে ওয়াচ টাওয়ারের অবস্থান। প্রায় সব নৌকা একবারের জন্য হলেও ওয়াচ টাওয়ারের পাশে যায়। ওয়াচ টাওয়ারের আশে পাশের পানি বেশ স্বচ্ছ। পানি স্বচ্ছ বলে ঘুরতে আসা বেশিরভাগ পর্যটকই এইখানে গোসল সেরে নেন । এইখানে পানিতে নেমে চা খাওয়ার নৌকায় করে হাওরের স্থানীয় লোকজন চা, বিশেষ সুযোগ। ছোট ছোট বিক্রয় করে। আপনি চাইলে বড় নৌকা থেকে নেমে ছোট ছোট নৌকা দিয়ে ঘুরতে পারবেন এইখানে, শুনতে পারবেন মাঝির সুমধুর কণ্ঠে হাওর বাঁচানোর গান।

নীলাদ্রি লেক
নীলাদ্রি লেক এইখানে মানুষদের কাছে পাথর কুয়ারি নামে পরিচিত। এই লেকটি এবং তার আশ পাশের এলাকা বাংলার কাশ্মীর নামেও পরিচিত । নীলাদ্রি লেকের বর্তমান নাম “শহীদ সিরাজী লেক” । বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ গেরিলা যোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বীর বিক্রম এর নামানুসারে এই লেকের নামকরণ করা হয়। কিন্তু ট্রাভেলার কমিউনিটিতে এটি নীলাদ্রি লেক হিসেবেই বেশী পরিচিত। এই লেকের পানি খুব স্বচ্ছ। নৌকায় করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন এই লেকে । আরো আছে কায়াকিং এর বিশেষ ব্যবস্থা । ক্লান্তি দূর করার জন্য স্বচ্ছ ঠান্ডা লেকের জলে স্নান করে নিতে পারবেন । লেকের এক পাশ সবুজ ঘাসের চাদরে মোড়ানো ছোট ছোট বেশ কয়েকটি টিলা। আর অন্য পাশে রয়েছে সুউচ্চ সুবিশাল পাহাড়। পাহাড়, টিলা, লেকের স্বচ্ছ পানি প্রকৃতির এই সুন্দর মিতালী আপনাকে বিমোহিত করবে। এইখানে এসে আপনি হারিয়ে যেতে বাধ্য। ট্যাকের ঘাটে নৌকা থেকে নেমে সোজা হেঁটে চলে আসতে পারবেন নীলাদ্রি লেকে। পড়ন্ত বিকালের সময়টুকু কাটতে পারেন লেকের পাড়ের ঘাসের চাদরে বসে। অথবা প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে করতে পারেন লেকের জলে নৌকা ভ্রমণ অথবা করতে পারেন কায়াকিং।

জাদুকাটা নদী
জাদুকাটা নদীর আদি নাম রেনুকা । কথিত আছে জাদুকাটা নদী পাড়ে বসবাসকারি কোনো এক বধূ তার পুত্রসন্তান জাদুকে কোলে নিয়ে নদীর অনেক বড় একটি মাছ কাটছিলেন। হঠাৎ অন্যমনস্ক হয়ে নিজের সন্তান জাদুকেই কেটে ফেলেন। এই কাহিনী থেকেই পরবর্তীকালে এই নদীর নাম হয় জাদুকাটা নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের জৈন্তিয়া পাহাড়। এ নদীর পানি অনেক ঠান্ডা, দুপুরে গেলে নদীতে ডুব দিতে একদম ভুলবেন না। তবে নদীর মাঝে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না। মাঝে অনেক স্রোত থাকে । জাদুকাটার এক পাশে সুবিশাল পাহাড় উপরে নীল আকাশ আর নদীর স্বচ্ছ পানি এইগুলো মিলে অদ্ভূত এক ক্যানভাসের সৃষ্টি করে।

শিমুল বাগান
এটি বাংলাদেশের সব চাইতে বড় শিমুল বাগান। এ বাগানে প্রায় ৩০০০ শিমুল গাছ রয়েছে। প্রায় ১০০ বিঘা জায়গাজুড়ে এই শিমুল বাগানের বিস্তৃতি। বসন্তকালে শিমুল ফুলের রক্তিম আভা আপনার মনকে রাঙিয়ে দিবে। শিমুল বাগানের অপর পাশে মেঘালয়ের সুবিশাল পাহাড় মাঝে সচ্ছ নীল জলের নদী জাদু কাটা আর এই পাশে রক্তিম শিমুল ফুলের আভা আপনার মন নেচে উঠবে। শিমুল বাগানের নিচেই নৌকা আসে। নৌকা না আসলে ট্যাকের ঘাট থেকে বাইক নিয়ে ঘুরে যেতে পারবেন শিমুল বাগান।

বারিক্কা টিলা
মেঘালয়ের পাহাড়ের পাদদেশে সীমান্তের এই পাশে সবুজে মোড়ানো এক টিলার নাম বারেকের টিলা বা বারিক্কা টিলা। উঁচু এই টিলার একপাশে ভারতের সুউচ্চ পাহাড়, অন্য পাশে স্বচ্ছ জলের নদী জাদুকাটা বারিক্কা টিলা থেকেই দেখতে পারবেন মেঘ পাহাড়ের মেলবন্ধন । বারিক্কা টিলার উপর থেকে জাদুকাটা নদীর দিকে তাকালে আপনি যে নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে পারবেন তার রেশ থেকে যাবে বহুদিন। বারিক্কা টিলার পাশে দুইটি মিষ্টি পানির ছড়া রয়েছে । বর্ষাকাল ছাড়া এই ছড়াগুলোতে পানি থাকে না বললেই চলে । ছড়াগুলো দেখতে খানিকটা ট্র্যাকিং করতে হবে। এছাড়াও ভারতের পাহাড়ে রয়েছে শাহ্ আরেফিনের মাজার এবং রয়েছে একটি তীর্থস্থান। বছরের নির্দিষ্ট দিনে এইখানে ওরস এবং পূণ্য স্নানের আয়োজন হয় । বারিক্কা টিলার পাশেই জাদুকাটা নদী। এ নদী দিয়েই নৌকায় করে আসতে পারবেন। কিন্ত নৌকা না আসলে ট্যাকের ঘাট থেকে বাইক বা ইজিবাইকে চলে আসতে পারবেন বারিক্কা টিলায়।

হিজল বন
টাঙ্গুয়ার হাওরের হিজল বনটি দেশের সবচেয়ে পুরনো হিজল বন। বলাই নদীর পাশেই আছে এই হিজল বন। হাওরের মাছ ও পাখির অভয়াশ্রম এই হিজল বন। টাঙ্গুয়ার হাওরে আছে শতবর্ষীয় হিজল গাছ। বর্ষায় গলা সমান পানিতে ডুবে থাকা গাছে গাছে ঝুলে থাকা হিজল ফুলের সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে।

হাসন রাজার যাদুঘর
সুনামগঞ্জ শহরের সুরমা নদীর ঠিক পাশেই রয়েছে মরমী কবি হাসন রাজার বাড়ি। হাসন রাজা একজন সম্ভ্রান্ত জমিদার ছিলেন। জমিদারির পাশাপাশি তিনি অসংখ্য গান রচনা করেছিলেন। সে সকল গান এখনো জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। বর্তমানে সুনামগঞ্জের হাসন রাজার বাড়িটি যাদুঘর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই যাদুঘরে হাসন রাজার স্মৃতি বিজড়িত অনেক জিনিসপত্র আছে। এইখানে আসলে আপনি দেখতে পাবেন মরমী কবি হাসন রাজার রঙিন আলখাল্লা, তিনি যে চেয়ারে বসে গান রচনা করতেন সেই চেয়ার। তার ব্যবহৃত তলোয়ার। আরো আছে চায়ের টেবিল, কাঠের খড়ম, দুধ দোহনের পাত্র, বিভিন্ন বাটি, পান্দানি, পিতলের কলস, মোমদানি, করতাল, ঢোল, মন্দিরা, হাতে লেখা গানের কপি, ও হাসন রাজার বৃদ্ধ বয়সের লাঠি। টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে ফেরার পথে ঘুরে যেতে পারবেন হাসন রাজার যাদুঘর।

ডলুরা শহীদদের সমাধি সৌধ বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ডলুরা ছিল সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার অন্যতম রণাঙ্গন। এই রণাঙ্গনে সম্মুখ যুদ্ধে যারা শহীদ হন তাদের কয়েকজনকে এইখানে সমাহিত করা হয়। ১৯৭৩ সালে শহীদদের স্মরণে এইখানে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। এইখানে লুকিয়ে আছে ১৯৭১ এর রক্তাক্ত সংগ্রামের স্মৃতি চিহ্ন।

পাইলগাঁও জমিদারবাড়ি
সাড়ে পাঁচ একর জমির উপর ৩০০ বছর আগে তৈরি করা হয় পাইলগাও জমিদার বাড়ি। কালের পরিক্রমায় ক্ষয়ে যাওয়া জমিদার বাড়িটি আজও সৌন্দর্য, ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের ধারক। এই জমিদার বাড়ির অবস্থান সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ০৯নং ইউনিয়নে। এই জমিদার বাড়ির প্রতিটি ঘর যেন এক অন্যরকম নান্দনিক স্থাপত্য শিল্পের সাক্ষী হয়ে আজো বিদ্যমান রয়েছে। পাইলগাও জমিদার বাড়ি প্রাচীন পুরাকীর্তির এক অনন্য নিদর্শন।

টাঙ্গুয়ার হাওরে কখন আসবেন
টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের সব চাইতে উপযুক্ত সময় বর্ষাকাল। ভারতের মেঘালয় থেকে বয়ে আসা পানিতে হাওর কানায় কানায় পূর্ণ থাকে। তখন হাওরের বিশালতা আপনাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করবে। মনে হবে কোনো এক সাগরে এসে পড়েছেন আপনি। বর্ষা ছাড়াও শীতে চলে আসতে পারেন হাওর ভ্রমণে দিগন্ত জোড়া সবুজ মাঠ । যতদূর চোখ যাবে শুধু সবুজ আর সবুজ। হাওরের মাঝ দিয়ে সাপের মতো এঁকে বেঁকে চলা নদী, এবং সুদূর সাইবেরিয়া থেকে উড়ে আসা অতিথি পাখি আপনাকে বিমোহিত করবে। শীতে শিমুল ফুল ফোটে বলে হাওরের শিমুল বাগান তখন রক্তিম আভা ধারণ করে।

কীভাবে যাবেন
টাঙ্গুয়ার হাওর আসতে হলে আপনাকে প্রথমে আসতে হবে সুনামগঞ্জ শহরে। ঢাকা থেকে সড়ক পথে সুনামগঞ্জ আসতে পারবেন। ঢাকার থেকে প্রতিদিন শ্যামলী এন আর, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, ইমপেরিয়াল এক্সপ্রেস, লন্ডন এক্সপ্রেস, বেঙ্গল পরিবহনের এসি ও ননএসি বাসগুলো সুনামগঞ্জের উদ্দ্যেশে ছেড়ে আসে । এই রুটে নন এসি বাস ভাড়া ৮৫০ টাকা এবং এসি বাস ভাড়া ১৪০০ টাকা। তবে বাসভেদে ভাড়া কমবেশি হতে পারে। শহর থেকে সুরমা নদী পেরিয়ে বৈঠাখালি বা মনিপুর ঘাটে গেলে সেখান থেকে মোটরসাইকেল বা লেগুনা ভাড়া করে তাহিরপুর যাওয়া যায়। এরপর তাহিরপুর থেকে দেশী ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করে দু’ঘণ্টায় টাঙ্গুয়ার হাওরে যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন
টাঙ্গুয়ার হাওরে থাকার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবস্থা হলো হাউসবোট । হাওরের মাঝখানে ভাসমান বোটে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা একেবারে আলাদা। চারপাশে পানি, রাতের আকাশ আর শান্ত পরিবেশ মিলিয়ে এটি অনেকের কাছে ট্রিপের মূল আকর্ষণ। সাধারণত এসব হাউসবোটে এসি বা ননএসি কেবিন, অ্যাটাচড ওয়াশরুম, খাবার, মাঝি ও গাইডের ব্যবস্থা থাকে । বন্ধুদের গ্রুপ, কাপল বা ফ্যামিলি সব ধরনের ভ্রমণকারীর জন্য বিভিন্ন বাজেটের বোট পাওয়া যায়। জনপ্রতি খরচ সাধারণত বোটের মান ও সুবিধার উপর নির্ভর করে ৪-১৫ হাজার টাকার মধ্যে ওঠানামা করে । তবে, যারা একটু কম খরচে থাকতে চান তারা তাহিরপুর বা টেকেরঘাট এলাকায় গেস্ট হাউস বা ছোট হোটেলে থাকতে পারেন। সেখান থেকে দিনে ট্রলার ভাড়া করে হাওর ঘোরা যায়। তবে এতে হাওরের ভেতরে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় না। বর্ষাকাল, বিশেষ করে জুন থেকে সেপ্টেম্বর, থাকার জন্য সবচেয়ে সুন্দর সময়। এ সময় পুরো হাওর পানিতে ভরে থাকে এবং পরিবেশ অনেক বেশি মনোমুগ্ধকর। বুকিংয়ের আগে খাবার, ওয়াশরুম, জেনারেটর ও অতিরিক্ত খরচ আছে কি না তা জেনে নেওয়া ভালো।

টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে সঙ্গে যা যা রাখবেন
ব্যাগ, গামছা, ছাতা, মশার হাত থেকে বাঁচতে ওডোমস ক্রিম, টুথপেস্ট, সাবান, শ্যাম্পু, সেন্ডেল, ক্যামেরা, ব্যাটারি, চার্জার, সানক্যাপ, সানগ্লাস, সানব্লক, টিস্যু, ব্যক্তিগত ঔষধ, লোশন, চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক, ব্যাটারি ব্যাকআপসহ টর্চ এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখতে পারেন।

টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণকালে পরামর্শ
ভ্রমণকালে নৌকায় ময়লা আবর্জনা জমিয়ে রাখার জন্য ঝুড়ি রাখতে হবে; কোনোরূপ খাবারের অংশ বা উচ্ছিষ্ট, প্যাকেট, খোসা বা পাত্র হাওরের পানিতে ফেলা যাবে না; মাইক ব্যবহার করে বা অন্যকোনো প্রকারে শব্দ তৈরি করা যাবে না; রাতের বেলা অবস্থান করলে অস্বাভাবিক উজ্জ্বল আলো তৈরি করা যাবে না; পাখি বা বন্যপ্রাণী লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়া যাবে না কিংবা অন্য কোন প্রকারে এদের নিরাপদ অবস্থান ও চলাফেরায় বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না; টাঙ্গুয়ার মাছ, বন্যপ্রাণী বা পাখি ধরা যাবে না বা এদের জীবন হুমকির মধ্যে পড়ে এমন কোনো কাজ করা যাবে না; টাঙ্গুয়ায় কোনো গাছপালা, বন জঙ্গল বা লতা পাতার ক্ষতিসাধন করা যাবে না; টাঙ্গুয়ায় শামুক, ঝিনুক বা অন্য কোন প্রকার জলজ বা স্থলজ প্রাণী/কীটপতঙ্গের ক্ষতিসাধন করা যাবে টাঙ্গুয়ায় না। ভ্রমণকালে হাতে চালিত নৌকার ব্যবহার বাঞ্চনীয়; টাঙ্গুয়ায় ভ্রমণকালে প্রতিটি দর্শনার্থী একজন প্রকৃতিপ্রেমীর মত বিনা উপদ্রপে প্রাকৃতিক উপভোগ রূপ করবেন এটাই প্রকৃতিবান্ধব পর্যটনের প্রত্যাশ।

টাঙ্গুয়ার হাওরের জনপ্রিয় কয়েকটি হাউজবোট
টাঙ্গুয়ার হাওর ঘুরে দেখা এবং রাত্রিযাপনের জন্য এখানে বিভিন্ন ধরনের প্রিমিয়াম হাউজবোট, সেমি হাউসবোট ও ঐতিহ্যবাহী নৌকা পাওয়া যায় । হাওর, নীলাদ্রি লেক, শিমুল বাগান, বারিক্কা টিলাসহ আরও কিছু পর্যটন স্থান একসাথে ঘুরে দেখার জন্য বর্তমানে পর্যটকদের কাছে হাউজবোট খুবই জনপ্রিয়। টাঙ্গুয়ার হাওরের হাউজবোট ভাড়া মূলত বোটের মান, আধুনিকতা ও সুযোগ সুবিধার ওপর নির্ভর করে। সাধারণত প্রিমিয়াম হাউজবোটের প্যাকেজ ৬,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা হয়ে থাকে। পুরো হাউজবোট রিজার্ভ করতে খরচ হয় ৪০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা; যা বোটের মান ও যাত্রীসংখ্যার উপর নির্ভর করে। রাতে না থেকে শুধু দিনভর ভ্রমণের প্যাকেজ আরও কমে পাওয়া যায়।

Tags: BangladeshSunamganjTanguar HaorTravel Guideজাদুকাটা নদীটাঙ্গুয়ার হাওরদর্শনীয় স্থাননীলাদ্রি লেকলাকমা ছড়াশিমুল বাগানসুনামগঞ্জহাওর ভ্রমণ
ShareTweet
Previous Post

ঐতিহ্য ভ্রমণে মানিকগঞ্জ

Next Post

বর্ষার সুন্দরবন মায়াবন ইকো রিসোর্ট অরণ্যে অতিথি নিবাস

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • Trending
  • Comments
  • Latest
রাজশাহী জেলার দর্শনীয় ২১ স্থানে যেভাবে যাবেন ও থাকবেন

রাজশাহী জেলার দর্শনীয় ২১ স্থানে যেভাবে যাবেন ও থাকবেন

August 21, 2026
সিলেট শহরের দর্শনীয় যতো স্থান

সিলেট শহরের দর্শনীয় যতো স্থান

April 20, 2026
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী খাবার

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী খাবার

May 31, 2024
চট্টগ্রামে পর্যটকদের জন্য চালু হলো বিশেষ বাস

চট্টগ্রামে পর্যটকদের জন্য চালু হলো বিশেষ বাস

May 13, 2024

বাংলাদেশ নামে হিমালয়ের শৃঙ্গ

0
লালবাগ কেল্লায় লাইট এন্ড সাউন্ড শো

লালবাগ কেল্লায় লাইট এন্ড সাউন্ড শো

0
ল্যান্ড অফ দি পিসফুল থান্ডার

ল্যান্ড অফ দি পিসফুল থান্ডার

0
বাংলাদেশ নামে হিমালয়ের শৃঙ্গ

বাংলাদেশ নামে হিমালয়ের শৃঙ্গ

0
বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র হওয়ার পথে অপার সম্ভাবনাময় টেকনাফ

বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র হওয়ার পথে অপার সম্ভাবনাময় টেকনাফ

October 17, 2026
নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী

নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী

October 14, 2026
টাঙ্গাইলের নকশি বুটি শাড়ি কি হারিয়ে যাবে?

টাঙ্গাইলের নকশি বুটি শাড়ি কি হারিয়ে যাবে?

October 14, 2026
সেন্টমার্টিনে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা ও জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

সেন্টমার্টিনে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা ও জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

October 12, 2026

Recent News

বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র হওয়ার পথে অপার সম্ভাবনাময় টেকনাফ

বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র হওয়ার পথে অপার সম্ভাবনাময় টেকনাফ

October 17, 2026
নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী

নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী

October 14, 2026
টাঙ্গাইলের নকশি বুটি শাড়ি কি হারিয়ে যাবে?

টাঙ্গাইলের নকশি বুটি শাড়ি কি হারিয়ে যাবে?

October 14, 2026
সেন্টমার্টিনে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা ও জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

সেন্টমার্টিনে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা ও জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

October 12, 2026

পর্যটন বিচিত্রা

ভ্রমণ বিষয়ক পত্রিকা ।
বেড়ানোর সকল খোঁজখবর ও পর্যটন সেবার যোগসুত্র পর্যটন বিচিত্রা।
কোথায় যাবেন? কীভাবে যাবেন? কোথায় থাকবেন? কি দেখবেন? কখন দেখবেন? এসবের সহজ সমীকরণ পর্যটন বিচিত্রা।
পড়তে পড়তে গন্তব্যে …

পর্যটন বিচিত্রা
প্রকাশক ও সম্পাদক : মহিউদ্দিন হেলাল

সম্পাদক কর্তৃক সম্পাদকীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত।

নিবন্ধন সালঃ ২০০৫

আমাদের সাথে সংযুক্ত থাকুন

সর্বশেষ সংযোজন

Uncategorized

বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র হওয়ার পথে অপার সম্ভাবনাময় টেকনাফ

October 17, 2026
এয়ারলাইনস

নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী

October 14, 2026
ইতিহাস ও ঐতিহ্য

টাঙ্গাইলের নকশি বুটি শাড়ি কি হারিয়ে যাবে?

October 14, 2026

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বাড়ি -৯৭/১,  ফ্লাট– ২/বি, শুক্রাবাদ,
ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৭

ফোন: +৮৮-০২-২২২২৪২৯৪৪, ০১৯৭০০০৪৪৪৭
ইমেইল: [email protected]

পর্যটন বিচিত্রার অন্যান্য উদ্যোগ

© সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি ও ভিডিও অনুমতি ব্যতিরেকে প্রকাশ বা ব্যবহার করা বেআইনি।

No Result
View All Result
  • #2302 (no title)
  • 404 Page Not Found
  • Bangladesh youth Tourism Fest
  • Video
  • ট্রাভেল সপ
  • পড়তে পড়তে গন্তব্যে…
  • পর্যটন ব্লগ