■ পর্যটন বিচিত্রা প্রতিবেদন
সরকারি ছুটি শেষ হলেও পর্যটন নগরী কক্সবাজারে উৎসবের আমেজ যেন থামছেই না। গত ছয়দিন ধরে সৈকত শহরের কোথাও তিল ধারণের জায়গা নেই। ঈদের ছুটির পর ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবস এবং সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় কক্সবাজার এখন এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। ঈদের ষষ্ঠ দিনেও সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।
এবারের ঈদে টানা এক সপ্তাহের ছুটি শেষ হয়েছে ২২ মার্চ। এর মাত্র দুইদিন পরেই ২৬ মার্চের ছুটি এবং সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় পর্যটকদের জন্য তৈরি হয়েছে দীর্ঘ অবসরের সুযোগ। প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ ছুটে এসেছেন সমুদ্র সৈকতে। কেউ বালিয়াড়িতে হৈ-হুল্লোড়ে মত্ত, কেউবা সাগরের নীল জলরাশিতে উম্মাদনায় ভাসছেন।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আওলাদ হোসেন জানান, এবারের ঈদ মৌসুমে পর্যটন শিল্পে নতুন চাঙ্গাভাব দেখা দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ঈদ পরবর্তী এক সপ্তাহে কক্সবাজারে ছোট-বড় সব প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা হবে।
হোটেল-মোটেল মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, শহরের ৫ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কোথাও কোনো রুম খালি নেই। আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত বেশিরভাগ হোটেলের অগ্রিম বুকিং রয়েছে।
সৈকত ছাড়াও পর্যটকরা রামুর বৌদ্ধ প্যাগোডা, ডুলহাজারা সাফারি পার্ক, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির এবং বার্মিজ মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন।
পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক জানান, রেকর্ড পরিমাণ পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। ছিনতাইকারী ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, পর্যটকরা আমাদের অতিথি। তাদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সব সময় পাশে আছে।












