■ পর্যটন বিচিত্রা প্রতিবেদক
বাংলা নববর্ষের বর্ণিল আয়োজনের মধ্যেই ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে ফটোগ্রাফির এক বিশেষ প্রতিযোগিতা । পর্যটনভিত্তিক ম্যাগাজিন পর্যটন বিচিত্রা-র উদ্যোগে আয়োজিত ‘পর্যটন বিচিত্রা ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড- ২০২৫’ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহসুদের ডেকে।
বাংলার প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার নানা দিক তুলে ধরতে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্ৰায় ৫৫০ জন আলোকচিত্রী। সেখান থেকে বাছাই করে সেরা ১০ জনকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত প্রত্যেককে প্রদান করা হয় সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ।
সেরা ১০ আলোকচিত্রী
প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন তানভীর অনিক, তার ছবির শিরোনাম ছিল ‘এ ম্যাজিকাল উইন্টার’। দ্বিতীয় হন প্রকাশ মজুমদার (‘এ ফগি উইন্টার মর্নিং’) এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন কিংশুক পার্থ (‘ফিশিং লাভার’)। এছাড়া চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জন করেন যথাক্রমে নাফিস আমিন (টি গার্ডেন অব বাংলাদেশ), নয়ন দাস (বিউটিফুল বাংলাদেশ), মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম (ফ্লোটিং ফার্মিং), জিএম রেজানুল হক (এ রেইনি ডে), জায়ান খান (সানসেট), বিপুল আহমেদ (নকশি কাথার মাঠ) এবং মোহাম্মাদ তারিক হাসান (পাহাড়পুর)। নির্বাচিতদের মধ্যে প্রথম তিনজনকে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। প্রথম স্থান অধিকারী তানভীর অনিক পান ১০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী প্রকাশ মজুমদার পান ৭ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী কিংশুক পার্থ পান ৫ হাজার টাকার চেক এই স্বীকৃতি শুধু বিজয়ীদের জন্য নয়, বরং দেশের ফটোগ্রাফি অঙ্গনের জন্যও একটি বড় প্রেরণা। পর্যটন বিচিত্রার পক্ষ থেকে তাদের হাতে এসব পুরস্কার প্রদান করা হয়।
নৌভ্রমণ
ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহসুদের আয়োজিত দিনব্যাপী উৎসবের মধ্যেই এই পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন হয়। নদীর বুকে ভাসমান স্টিমারের ডেকে যখন একদিকে চলছিল গান, ঐতিহ্যবাহী খাবার আর আনন্দ আয়োজন, তখন অন্যদিকে ফটোগ্রাফির এই সম্মাননা যোগ করে এক ভিন্ন সাংস্কৃতিক মাত্রা । আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে, যাতে দেশের প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি আরও বেশি করে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা যায়। বিচারকার্য সম্পাদিত হয় প্রখ্যাত আলোকচিত্র শিল্পীদের সমন্বয়ে। এর মধ্যে প্রধান নির্বাচক ছিলেন আলোকচিত্রী ও পর্বতারোহী প্রশিক্ষক মীর শামছুল আলম বাবু।
এছাড়া ছিলেন প্রখ্যাত আলোকচিত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ও মো. জাহাঙ্গীর।












