■ পর্যটন বিচিত্রা ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত পরিস্থিতির উন্নতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ওই অঞ্চলের সকল রুটে পূর্ণমাত্রায় ফ্লাইট পরিচালনা পুনরায় শুরু করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মতো ইউএস-বাংলাও তখন নিয়মিত ফ্লাইট সূচি বজায় রাখতে পারেনি। বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতির সাথে সাথে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মধ্যপ্রাচ্যের সকল রুটে পুনরায় স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে ঢাকা-দোহা রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানটি দোহার উদ্দেশে যাত্রা করবে এবং একই রাতে স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে দোহা থেকে ঢাকার পথে রওনা হবে।
বর্তমানে ইউএস-বাংলা মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে — দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, মাস্কাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই রুটে প্রতিদিন ফ্লাইট রয়েছে। মাস্কাটে সরাসরি ফ্লাইট গেলেও ফিরতি পথে বিমানটি চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় অবতরণ করে।
সাপ্তাহিক সময়সূচির দিক থেকে, আবুধাবি রুটে বৃহস্পতিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ছয়দিন ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। শারজাহ রুটে সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট রয়েছে। সৌদি আরবে রিয়াদে সপ্তাহে পাঁচ দিন — শুক্র, শনি, রবি, মঙ্গল ও বুধবার — এবং জেদ্দায় তিন দিন — ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বহরে ৩টি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০সহ মোট ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুবিধার্থে এয়ারলাইন্সটি শিগগিরই সৌদি আরবের মদিনা ও দাম্মাম রুটে নতুন ফ্লাইট চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।
২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বর্তমানে দেশে ও বিদেশে উভয় ক্ষেত্রেই বিমান পরিষেবা দিচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকে এয়ারলাইন্সটি ধারাবাহিকভাবে তার রুট নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করে চলেছে।












