■ পর্যটন বিচিত্রা ডেস্ক
স্বাধীনতা দিবস ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বইছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। নীল জলরাশি আর বিস্তীর্ণ বালিয়াড়িজুড়ে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নেমেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে পর্যটকরা সাগরের ঢেউয়ে স্নান করে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠছেন। এতে এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
ঈদ আনন্দ শেষ হতে না হতেই মহান স্বাধীনতা দিবসের ছুটি। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। তাই টানা ছুটিকে ঘিরে উৎসবের আমেজ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। সাগর তীরজুড়ে যেন সব বয়সী মানুষের মিলনমেলা। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, পরিবার-পরিজন নিয়ে পর্যটকরা সাগরের ঢেউয়ে স্নান করে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠছেন। কেউ হাঁটছেন বালিয়াড়িতে, কেউবা ছবি তুলছেন প্রিয়জনদের সঙ্গে। দীর্ঘ ছুটিতে প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে খুশি পর্যটকরা।
এদিকে, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সাগর তীরজুড়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে লাইফ গার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশ। নেওয়া হয়েছে ৩ স্তরের নিরাপত্তা বলয়।
সী সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার ব্যবস্থাপক মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ঈদ পরবর্তী মহান স্বাধীনতা দিবসে লাখো পর্যটকের ঢল নেমেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। তাদের নিরাপত্তায় আমরা ৩ স্তরের ব্যবস্থা নিয়েছি। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, বালিয়াড়িতে টহল ও বোট নিয়ে পানিতেও অবস্থান করে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের জন্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সম্পূর্ণ নিরাপদ। এখানে একাধিক পুলিশ বক্স, মোবাইল টিম এবং স্টেশনভিত্তিক টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।
ঈদ, স্বাধীনতা দিবস ও সাপ্তাহিক লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও বার্মিজ পণ্যের মার্কেটগুলোতে জমজমাট ব্যবসা-বাণিজ্য হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।












