বার্ষিক গড়
আর্দ্রতা: ৮৩ শতাংশ। প্রধান নদ-নদী : মাতামুহুরী, বাকখালী, রেজু, কোহালিয়া ও নাফ ।
প্রধান দ্বীপ: মহেশখালী, কুতুবদিয়া, মাতারবাড়ী-ধলঘাটা, সেনাদিয়া ও সেন্টমার্টিন।
উপজেলার সংখ্যা: ৮ টি, ইউনিয়ন : ৭১টি, গ্রাম:৯৯২টি, পৌরসভা:৪টি, জাতীয় সংসদ আসন: ৪
টি।
কক্সবাজার
সমুদ্র সৈকত
কক্সবাজার
সমুদ্র সৈকত পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত। এর দৈর্ঘ্য ১২০ কি.মি.।
সৃষ্টিকর্তা যেন রূপসী বাংলার সব রূপ ঢেলে দিয়েছেন বালুর আঁচলে। সুর্যস্নান কিংবা
সমুদ্রস্নানে নিজেকে বিলীন করতে পারেন নীলাভ প্রকৃতিতে। খোলা জিপ,রিক্সা, টমটম এবং
স্পিড বোটে বা ঘোড়ায় চড়ে বেড়ানোর আনন্দ হতে পারে আপনার জীবনের এক স্মরণীয় দিন । আর
সমুদ্রের বালির বিছানায় দাঁড়িয়ে শামুক-ঝিনুকের সাথে লোকোচুরি খেলতে খেলতে উপভোগ
করুন সূর্যাস্তের অনাবিল আনন্দ। কক্সবাজারের নাজিরার টেক থেকে শুরু করে টেকনাফের
শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত এই বীচ। কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ পশ্চিম প্রান্তে বীচ
পয়েন্ট। এর মধ্যে লাবনী পয়েন্ট, কলাতলী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট , ডায়বেটিক হাসপাতাল
পয়েন্টসহ আরো কয়েকটি পয়েন্ট উল্লেখযোগ্য।
মাইলের পর
মাইল সোনালি বালুকাময় বেলাভূমি। লতা-গুল্ম বন-বনানী দিয়ে সুশোভিত তরঙ্গায়িত খাড়া
পাহাড়। তরঙ্গ বিধৌত ফেনাযুক্ত ঢেউ। রঙ্গিন শামুক-ঝিনুকের সম্ভার, my-¯^v`y
সামুদ্রিক খাদ্য, ১২০ কিলোমিটার পৃথিবীর সর্ববৃহৎ অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকত যা
বঙ্গোপসাগরের নীল জল রাশির দিকে ক্রমশ ঢালু। কক্সবাজারের উত্তরে আছে চট্টগ্রাম,
পাহাড়ি জেলা বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি, পূর্বের দিকে মায়ানমার, দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে
বঙ্গোপসাগর, সুসজ্জিত সমুদ্র তীর, প্রধান সড়কের দুইধারে সৌখিন দ্রব্যাদিসহ সজ্জিত
দোকান, রাখাইনদের কুঁড়ে ঘর। এখানে আকাশ নীল। উচ্ছ্বসিত শিশুর মতো ঢেউ খেলে যায়
সাগরের বেলাভূমিতে। নারিকেলের বীথি মিতালি করে রাখাইন কিশোরীদের সাথে। পশ্চিম আকাশে
আগুনে পুড়ে লাল করে ডুবে যায় দিনের সূর্য। ঠিক এমনই ছবির মতো সাজানো নয়নাভিরাম
কক্সবাজার।
হিমছড়ি
কক্সবাজার
থেকে প্রায় বাইশ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিমছড়ি। হিমছড়ি
যাওয়ার পথে বেশ কয়েকটি প্রাকৃতিক ঝরনা রয়েছে। কক্সবাজার শহর থেকে মেরিন
ড্রাইভ সড়কে সমুদ্র আর পাহাড়ের মধ্য দিয়ে প্রাণচঞ্চলতায় জিপে কিংবা প্রাইভেট গাড়ীতে
অনায়াসে বেড়িয়ে আসুন ঝরনাধারা প্রবাহমান হিমছড়ি। সেখানে কক্সবাজার দক্ষিণ বন
বিভাগের উদ্যোগে একটি পিকনিক স্পট তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক
সেখানে ভ্রমণ করে সাগর ও পাহাড়ের দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।